মিঠামইনে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : নিহত-১ পাঁচ পুলিশসহ আহত প্রায় অর্ধশত

BM REZAUL KARIM
মুহূর্তের খবর, ঢাকা

তারিখ: ২০১৭-০৯-০৫ | সময়: ০৯:১৯:১৩


 মুহুর্তের খবর,কিশোরগঞ্জ:

এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল (সোমবার) মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের কলাপাড়া-মিয়ারহাটি ও বামনহাটি গ্রামের দুই আওয়ামী লীগ নেতার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাজলে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত ও উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপে মিঠামইন থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেনসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ সাত রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কলাপাড়া-মিয়ারহাটি গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা বুলবুল চৌধুরী ও বামনহাটি গ্রামের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়ার মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। গতকাল সকাল ১০টার দিকে দুই গ্রামের মাঝামাঝি পুকুরের পাড় কেটে রাস্তা নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধ ওসির উপস্থিতিতে নিষ্পত্তি করা হয়। পরে পুলিশসহ ওসি ঘটনাস্থল ত্যাগ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই উভয় পক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপি সংঘর্ষ চলে। এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের নিক্ষিপ্ত বল্লমের আঘাতে বুলবুল চৌধুরী গ্রুপের আনিস (২০) ঘটনাস্থলেই নিহত ও উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের জেলা সদর হাসাপাতাল ও মিঠামইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে  পুলিশ পুনরায় ঘটনাস্থলে গেলে সংঘর্ষে লিপ্ত লোকজন পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ সাত রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে বলে জানান মিঠামইন থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন। বিকাল ৫টার দিকে তিনি ঘটনাস্থল থেকে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি কিংবা কাউকে আটক করাও সম্ভব হয়নি বলে জানান ওসি।





Comment Disabled

Comments