‘অরনেটে’ ১৪৫ একর জমিতে পচন


মুহূর্তের খবর, ঢাকা

তারিখ: ২০১৫-০৩-৩০ | সময়: ০১:৩৬:৩২

মুহূর্তের খবর রিপোর্ট॥

 জেলার কাহারোলে ইরি-বোরো ধানে আগাছা দমনে এসএএম এগ্রো কোম্পানির ‘অরনেট’ ব্যবহার করে প্রায় ১৪৫.২৫ একর জমির বোরো ধানে পচন রোগ দেখা দিয়েছে।

কাহারোলের মুকুন্দপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর, বিক্রমপুর, প্রসাদপুর, চকপ্রাণ কৃষ্ণ ও ডহণ্ডা গ্রামের ৯০ জন কৃষকের প্রায় ১৪৫.২৫ একর জমির রোপা বোরো ধানে এ রোগ দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে ৮৩ জন কৃষক স্বাক্ষরিত এক লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করেছে।
অভিযোগে জানা যায়, এসএএম এগ্রো কোম্পানির আগাছা দমনের কীটনাশক ‘অরনেট’ ব্যবহার করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

চকপ্রাণ কৃষ্ণ গ্রামের আমাতুল হক জানান, কাহারোল উপজেলার মুকুন্দপুর ইউনিয়নের বিক্রমপুরে মেসার্স বুলু ট্রেডার্সের মোস্তাফিজুর রহমান বুলুর কীটনাশকের দোকান থেকে ‘অরনেট’ কীটনাশক ক্রয় করে জমিতে প্রয়োগ করেন। এরপর থেকে রোপা বোরো ধানে পচন রোগ দেখা দিয়েছে। আগাছা না মরে ধানের চারার রং হলুদে বিবর্ণ হয়ে চারা মরে যেতে শুরু করেছে। ৫০ দিন অতিবাহিত হলেও রোপা ধানের চেহারার উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে।

একই অভিযোগ করে প্রসাদ পাড়া গ্রামের ব্রজ মোহন রায় জানান, কোম্পানির এসএএম এগ্রো কোম্পানির আগাছা দমনের কীটনাশক ‘অরনেট’ ব্যবহার করে আমাদের ধানের চারা বিবর্ণ হয়ে মরে যাচ্ছে। এ থেকে উত্তোলনের কোথাও কোনো ভালো পরামর্শ পাচ্ছি না। ক্ষেত থেকে ফসল না পেলে তো পথে বসতে হবে।

এসএএম এগ্রো কোম্পানির কাহারোল উপজেলা মার্কেটিং অফিসার নিরঞ্জন ঠাকুর আগাছা দমনে কীটনাশক অরনেট ব্যবহার করে কৃষকদের ক্ষতির কথা স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নির্দেশনা মোতাবেক সহযোগিতা করছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আখেরুল রহমান জানান, কোম্পানির আগাছা দমনের কীটনাশকটি সম্পর্কে কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানার পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে সহযোগিতার জন্য উপ-সহকারী কৃষিকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের ডিডিকে জানানো হয়েছে।

মুহূর্তের খবর/২০১৫/অপ





Comment Disabled

Comments